রাতারাতি শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয় : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি

রাজশাহী কলেজ বার্তা | | October 31, 2018 at 8:06 pm

রাতারাতি শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ। রাজশাহী কলেজে “স্টুডেন্ট সেন্টার্ড ল্যার্নিং” বিষয়ক কর্মশালায় বুধবার দুপুরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

জাবির উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন সময় সাপেক্ষ বিষয়। ইচ্ছা করলেই রাতারাতি শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। তবে মানোন্নয়ন শিক্ষা আবশ্যক সেটা আমরা অনুভব করি।

তবে সকল কলেজ রাজশাহী কলেজের মতো না। কোন কোন কলেজের কেমন শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, কেমন আইটি ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলো আমরা কম বেশি সবই জানি।

ভিসি আরো বলেন, রাজশাহী কলেজ, বিএম কলেজ, কারমাইকেল কলেজগুলোর মতো যদি সব কলেজ গুলো হতো তাহলে আমরা একটা অবস্থানে চলে যেতে পারতাম। কিন্তু কক্সবাজারের মহেশখালীতে ও সুনামগঞ্জে যে কলেজগুলো আছে তাদের শিক্ষার মানও আমাদের উন্নয়ন করতে হবে। আর সেই সাথে সারা দেশের প্রায় ২৮ লক্ষ শিক্ষার্থীর উন্নত শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে হবে।

তবেই মানসম্পর্ন শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে। কাজেই রাতারাতি শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। আমাদের একটি সময় নিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে হবে।

রাজশাহী কলেজ সম্পর্কে অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, রাজশাহী কলেজের শিক্ষার মান উন্নত, যোগ্যতা ও দক্ষতার কারণে আমরা কজেলটিকে পর পর তিন বার প্রথম স্থান নির্ণয় করি।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ।

রাতারাতি শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয় : জাতীয় বিশ্ববিদ্যায় ভিসি

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান। এরপরই উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদকে ফুলেল শুভেচ্ছ জানানো হয়।

কলেজের সকল শিক্ষকমন্ডলীর পক্ষ থেকে ইংরেজি বিভাগের প্রধান পিযুষ কান্তি ফৌজদার তার বক্তব্যে শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য উপাচার্যের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তিনি তার ইংরেজি বিভাগের সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, “শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও ভর্তি পরীক্ষার ব্যাবস্থা করা দরকার। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাত্র ৫ শতায়ংশ শিক্ষার্থী ইংরেজি বিভাগে পড়ার সুযোগ পায়, আর বাকী ৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিভাগ থেকে আসছে।

কিন্তু শুধুমাত্র গ্রেড পয়েন্টের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ দেয়ার ফলে ভালো মানের শিক্ষার্থীদের পাচ্ছিনা। যার ফলে আমরা তাদেরকে ইংরেজি শেখাতে পারছিনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।”

এ ছাড়াও এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজ উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আল-ফারুক চৌধুরী, ইংরেজী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষক স্টাফ কাউন্সিলের সম্পাদক প্রফেসর পিযুষ কান্তি ফৌজদারসহ প্রত্যেক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষক মন্ডলী।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of