রাজশাহী কলেজে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে পুরস্কার বিতরণ

রাজশাহী কলেজ বার্তা | | November 4, 2017 at 5:43 pm

রাজশাহী কলেজে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কলেজের অডিটেরিয়ামে এ পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান সরকার, নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এসএম জার্জিস কাদির, সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মফিজউদ্দিন মোল্লা। এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আল-ফারুক চৌধুরীসহ সকল বিভাগের শিক্ষাকমন্ডলী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ছয় জন মহষী নারীর নামে আমরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছে। ওখানে আরও কী করা যায়, করা সম্ভব আমরা সেটা বের করবো। ১৬টি সরকারি শতবর্ষী কলেজ আছে, তার মধ্যে রাজশাহী কলেজ একটি কলেজ। আপনারা লক্ষ্য করবেন কয়েকটা কলেজকে সরকারি বলা লাগেনা তার মধ্যে রাজশাহী কলেজ একটি এবং অন্যতম একটি।

কারণ সকল কলেজের মধ্যে এবারও দ্বিতীয় বারের মতো প্রথম স্থান অধিকার করেছে এ কলেজ। তাই অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগ, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃীবৃন্দ-কর্মবৃন্দ, রাজশাহী অঞ্চলের সকল স্তরের জনগণের কাছে আমরা কৃর্তজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

প্রফেসর ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ আয়তনের দিক থেকে একটি অতিছোট দেশ কিন্তু জনবসতির দিক থেকে এটি অতি ঘনবসতিপূর্ণ। বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে যাওয়ার তালিকায়, সম্ভাবনার তালিকায় বাংলাদেশ দ্বিতীয়। এটা হলো যুব সম্পদায়। যে দেশ যত যুব সম্পদায় বেশি, সে দেশের উন্নয়নের সম্ভাবনা ততোটায় বেশি। আমাদের আঠার বছর থেকে পঁয়তাল্লিশ বছরের মধ্যে যুব সম্পদয় এখন সবচেয়ে বেশি। বিদেশে নেওয়ার জন্য এর বাহিরে সাধারণত নেয় না।

তাহলে আমাদের যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এই সম্ভাবনা থাকবে কত দিন? এই সম্ভাবনা থাকবে ত্রিশ বছর। এই ত্রিশ বছরের ভিতর তোমাদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ছড়িয়ে পড়তে হবে। এবং সেই ছড়িয়ে পড়ার তালিকায় আমি এখনো সপ্নে দেখি, এখনো সপ্ন দেখি রাজশাহী কলেজের। রাজশাহী কী ভাবে এগুবে তার প্রক্রিয়া প্রণায়ন করবেন অধ্যক্ষ।

তিনি আরো বলেন, আমার ৯টি অঞ্চল আছে, ৯টি অঞ্চলে নয়জন ডিরেকটর আছেন, এই ডিরেকটরদের নিজস্ব উৎভাবনী আমরা ব্রানডিং করি। অন্য অঞ্চলে তা প্রতিস্থাপীত করতে চেষ্ট করি, বিকাশিত করতে চেষ্টা করি। তার ভিতর দুই অঞ্চলের দুইটি ব্রানডিং হয়েছে।

একটি হলো খুলনা অঞ্চলে জানুয়ারীর প্রথম ১৫দিন মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনা। চট্টগ্রাম অঞ্চলের ব্রানডিং হলো শিক্ষকদের শ্রীজনশীল প্রশ্ন প্রনায়ণ এবং নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রণিত প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণ। আর রাজশাহীতে হতে যাচ্ছে দূর্ণীতিমুক্ত শ্লোগান। এবং সেই সাথে আগামী ১৬ ডিসেম্বর শতবর্ষী ষোল কলেজে ১৪৬টি বিরল গাছ লাগানো কথাও বলেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর মহ. হবিবুর রহমান আধুনিক ও বিজ্ঞান সম্মত পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ক্লাসমুখী করার বিষয়ে শিক্ষকদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of