দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কলেজ

0
512

দুর্নীতি দমন কমিশনের দুর্নীতি বিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রাজশাহীর উদ্যোগে “দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০১৭” অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দিনব্যাপী এ বিতর্ক প্রতিযোগিতা রাজশাহী কলেজ, মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগীতায় ছয়টি বিষয়ে ৮টি দল অংশ গ্রহণ করে।

“ বাংলাদেশে শিক্ষিত ও ধনীরাই বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত” এ বিষয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ে ফাইনাল রাউন্ডে অংশ গ্রহণ করেন রাজশাহীর সারকারি পি.এন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের গ্রীণ ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়। এতে রাজশাহী সরকারি পি.এন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জয় লাভ করে।

“ সরকারি কর্ম পদ্ধতি সম্পাদনে সময়সীমা নির্ধারণ করার মাধ্যমেই দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধ করা সম্ভব” এ বিষয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ফাইনাল রাউন্ডে অংশ গ্রহণ করেন রাজশাহী কলেজ ও কাদিরাবাদ ক্যাটনমেন্ট স্যাপার কলেজ, বাগাতিপাড়া, নাটোর এর বিতার্কিকরা। এতে দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ রাজশাহী কলেজ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। আর রাজশাহী কলেজের হয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিতার্কিক ছিলেন দলনেতা ফারজানা হোসাইন ঋতুর নেতৃত্বে ওয়াহিদা মেহজাবিন অরনী ও মোঃ হাসনাইন আলী ।

রাজশাহী বিভাগের শেষ রাউন্ডে দুর্নীতি বিরোধী এ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিতার্কিকেরা দুর্নীতি প্রতিরোধমূলক বিভিন্ন যুক্তি, তথ্য ও উপাত্ত তাদের মূল্যবান শব্দশৈলী দ্বারা উপস্থাপন করেন। বিতার্কিকদের তত্ত্ব ও তথ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধমূলক এবং দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব ফুটে উঠে।

মাধ্যমিক পর্যায়ের চারটি দল হলো রাজশাহী পি.এন. সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নওগাঁ কে ডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ গ্রীণ ভিউ উচ্চ বিদ্যালয় , নাটোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের চারটি দল হলো রাজশাহী কলেজ, কাদিরাবাদ ক্যাটনমেন্ট স্যাপার কলেজ, বাগাতিপাড়া, নাটোর, নাচোল এশিয়ান স্কুল ও কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ, নওগাঁ।

দলগুলো বিতর্কের বিষয় ছিলো, কেবল মাত্র কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমেই দুর্নীতি দমন করা সম্ভব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবেই দুর্নীতির বিস্তার ঘটে, নৈতিক শিক্ষা চর্চার অভাবে দুর্নীতির বিস্তার ঘটছে, আইন-কানুন সম্পর্কে জনগনের অজ্ঞতা-ই দুর্নীতি বাজদের সুবিধা দিচ্ছে, বাংলাদেশে শিক্ষিত ও ধনীরাই বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত, সরকারি কর্ম পদ্ধতি সম্পাদনে সময়সীমা নির্ধারণ করার মাধ্যমেই দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধ করা সম্ভব।

এ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় মডারেটর হিসেবে ছিলেন রাজশাহীর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মো: আব্দুল করিম এবং বিচারক মন্ডলির দায়িত্বে ছিলেন এবিএম সাইফুল ইসলাম, ড. আব্দুল মালিক সরকার, রাহাদ রিপন ও জিসান বিন মাজেদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here